ধবধবে দর্জির জ্যোৎস্না সেলাই অবরুদ্ধ তানিয়া বখ্শ

অবরুদ্ধ

পথ ছেড়ে দেওয়াই আমার অভ্যাস। প্রতিটি বসন্ত তাই উপোস থাকে। বেল, মালা, চন্দনের নৈবেদ্য পায় না দেবতারা। দেবলোকে হুলুস্থুল পড়ে যায়। চিত্রগুপ্ত হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। আর আমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার! লিপিবদ্ধ ভাগ্যের ঘুড়ি বারবার কেটে যায় দৈবিক অবহেলায়; নাকি আমিই জানি না নাটাইয়ের সুতো বাঁধতে—এই তর্ক চলতে থাকুক। এই ফাঁকে আমি একবার ঘুরে আসি প্রজাপতির শহর থেকে। প্রজাপতির শহরে বাক্যালাপ শুরু করার আগেই, গোলাপঝাড় সরে গেল একশ সমুদ্র পেছনে। সেখানে পাহাড়; পাহাড় ডিঙাতে বারণ। ডানে কাঁটাবন, বাঁয়ে কুমির। পেছনে সমুদ্র...।

পথ ছেড়ে দেওয়াই আমার অভ্যাস। কিন্তু এই পথহীন পথ আমায় ছাড়তে পারবে কি?