ধবধবে দর্জির জ্যোৎস্না সেলাই যেভাবে সুখে আছি তানিয়া বখ্শ

যেভাবে সুখে আছি

এক।
বন্ধুরা বলে আমি নাকি দুঃখবিলাসী
আমি বলি সুখ তো আপেক্ষিক অথচ
সুখের জন্য অপেক্ষা সে নাকি আমার ধাতে নেই!
আমি ভাবতে বসি
সুখ কী কিংবা অপেক্ষা কাকে বলে...
সব তো বোরিং বোরিং!
দুই।
ধারালো ছুরি দিয়ে
কষ্ট কেটে কেটে খাই
স্বাদু, নোনতা যদিও কিছুটা তিক্তকুটে
জিহ্বা আর টাকরার মাঝখানে
নির্গত রস গভীর আস্বাদন,
চোখবুজি পরম পুলকে।
তিন।
উত্তমর্ণ ভঙ্গিমায় বসে থাকা জটিয়া লোকটির
ড্যাবড্যাবে কড়া লাল চোখে
কী এক সম্মোহনী জাদু
এগিয়ে যাই ভালো করে দেখতে
এতে রং কতখানি
তো সে ব্যাটা স্বগোক্তি করে ওঠে হঠাৎ
‘সুখ নাইরে পাগল...’
আমি হেসে উঠি
পাগলের মতো করেই
হাসতে হাসতে লুটোপুটি খাই
এককাল কষ্ট চিবুতে চিবুতে ভাবি
বাহ্ বেশ, সুখেই তো আছি
কী চমৎকারভাবে সুখে আছি আমি!